দাউদকান্দিতে অপহরণের ১২ঘন্টায় অপহৃত কিশোর উদ্ধার গ্রেফতার- ২


প্রকাশের সময় : মে ১৮, ২০২৩, ৬:২৫ অপরাহ্ন / ৪২৫
দাউদকান্দিতে অপহরণের ১২ঘন্টায় অপহৃত কিশোর উদ্ধার গ্রেফতার- ২

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতা 

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অপহরণের ১২ঘন্টার মধ্যে অপহৃত কিশোর উদ্ধার ও অপহরণের সাথে জড়িত থাকায় পুলিশ ২জনকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার বিকেলে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারে এ অপহরনের ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে অপহৃত কিশোর মোঃ রোমন মিয়াকে গৌরীপুর ফাড়ির পুলিশ উদ্ধার এবং দুই অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত অপহরণকারীরা হলো, উপজেলার দক্ষিণ পেন্নাই গ্রামের আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে আহমেদ মিয়া(২০) ও একই উপজেলার তিনচিটা গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে মোঃ সাফিন মিয়া(২১)। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দাউদকান্দি মডেল থানা অপহৃত কিশোরের বড় ভাই বাদী হয়ে অপহরণ মামলা দায়েরের পর গ্রেফতারকৃতদের কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপহরণের মূলহোতা এলাকায় মক্ষীরানি হিসাবেখ্যাত কয়েকটি অপহরণ মামলার আসামি নাসরিন আক্তার(৩৫) পুলিশ দেখে বোরকা পড়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশ ও ভিকটিমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সরকাপুর গ্রামের ইউনুস মিয়ার ছেলে রোমন মিয়া গৌরীপুর বাজাওে দোকান কর্মচারীর কাজ করেন। বুধবার দুপুরে খাবার খেতে বের হয়। ওতপেতে থাকা অপহরণ কারী দুই জন কিশোর কে মুখে চেপে ধরে মোটরবাইক করে তুলে নেয়। তাকে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথমে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপন দাবী করেন। তারা প্রথমে দশ হাজার টাকা বিকাশে পাঠায়। এর পর এক লাখ টাকা দাবী করলে অপহৃত কিশোরের পরিবার বিষয়টি গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ কে অবহিত করেন। পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কানড়া এলাকার ঈশাখা সিএনজি পাম্পের পাশে আবুল খায়েরর দালানের দোতালা থেকে অপহৃত কিশোর রোমান মিয়াকে উদ্ধার করে এবং হাতেনাতে দুই অপহরণ কারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অপহরণের মূলহোতা এলাকার মক্ষীরানি হিসাবে ক্ষেত কয়েকটি অপহরণ মামলার আসামি নাসরিন আক্তার(৩৫) পুলিশ দেখে বোখড়া পড়ে পালিয়ে যায়।
অপহৃত কিশোর রোমান মিয়ার ভাই ও মামলার বাদী আনিছ বলেন, আমার ছোট ভাই রোমন দুপুরের খাবার খেতে দোকান থেকে বের হলে অপহরণ কারীরা তাকে মোটরবাইক করে তুলে নিয়ে যায়। আমার ভাইকে আটকে রেখে প্রথম ৫০হাজার টাকা ও পরে এক লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করে। তাদেরকে প্রথমে দশ হাজার টাকা বিকাশে দেই। আরও বেশী টাকা দাবী করায় আমরা পুলিশকে জানাই। পুলিশ আমার ভাইকে উদ্ধার করেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক ওমর ফারুক বলেন, অপহরণের ১২ঘন্টার মধ্যে অপহৃত কিশোর রোমনকে উদ্ধার করেছি। অপহরণের সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেছি। তবে অপহরণের মূলহোতা এলকার মক্ষীরানি কয়েকটি অপহরণ মামলার আসামি নাসরিন আক্তার(৩৫) পুলিশ দেখে বোরকা পড়ে পালিয়ে যায়। তাকে গ্রেফতারের অভিযান চলছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপহরণ মামলা নেয়া হয়েছে।

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
.#0
#20
#
20